বিটা থ্যালাসেমিয়া সাধারণত তিন ধরনের হয়। যথাঃ
- বিটা থ্যালাসেমিয়া মাইনর (Trait): এক্ষেত্রে ব্যক্তি রোগের 'বাহক' হিসেবে কাজ করেন। সাধারণত কোনো লক্ষণ থাকে না বা হালকা রক্তস্বল্পতা দেখা দিতে পারে।
- বিটা থ্যালাসেমিয়া ইন্টারমিডিয়া: এটি মাইনর এবং মেজরের মাঝামাঝি পর্যায়। রক্তস্বল্পতা মাঝারি ধরনের হয় এবং মাঝে মাঝে রক্ত দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।
- বিটা থ্যালাসেমিয়া মেজর: এটি সবচেয়ে গুরুতর রূপ। জন্মের কয়েক মাস পর থেকেই লক্ষণ দেখা দেয় এবং রোগীকে সারাজীবন নিয়মিত বিরতিতে রক্ত নিতে হয়।