অস্থিভবন প্রধানত দুইভাবে হয়ে থাকে। যথাঃ
- মেমব্রেনাস অস্থিভবনঃ এই প্রক্রিয়ায় হাড় সরাসরি কানেক্টিভ টিস্যু বা মেমব্রেন থেকে তৈরি হয়। আমাদের মাথার খুলির চ্যাপ্টা হাড় এবং চোয়ালের হাড় এই পদ্ধতিতে গঠিত হয়।
- এনডোকন্ড্রাল অস্থিভবনঃ এই প্রক্রিয়ায় প্রথমে নরম তরুণাস্থি (Cartilage) দিয়ে হাড়ের একটি কাঠামো তৈরি হয় এবং পরবর্তীতে সেই তরুণাস্থি হাড় দিয়ে প্রতিস্থাপিত হয়। শরীরের দীর্ঘ হাড়গুলো (যেমন: হাতের বা পায়ের হাড়) এই পদ্ধতিতে তৈরি হয়।