ইউরেটর এর বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নরূপঃ
- গঠন: প্রতিটি মানুষের শরীরে দুটি ইউরেটর থাকে (প্রতিটি কিডনির জন্য একটি)। এটি প্রায় ২৫-৩০ সেন্টিমিটার (১০-১২ ইঞ্চি) লম্বা হয় এবং এর দেয়াল অত্যন্ত পুরু ও পেশীবহুল।
- উৎপত্তি: এটি কিডনির হাইলাম নামক অংশ থেকে শুরু হয় এবং নিচের দিকে গিয়ে মূত্রথলির পেছনে যুক্ত হয়।
- মূত্র পরিবহন: ইউরেটর কেবল অভিকর্ষ বলের ওপর নির্ভর করে না। এর দেয়ালের পেশীগুলো ধারাবাহিকভাবে সংকুচিত ও প্রসারিত হয় (যাকে পেরিস্টালসিস প্রক্রিয়া বলা হয়)। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এটি ফোঁটায় ফোঁটায় মূত্রকে কিডনি থেকে মূত্রথলিতে ঠেলে দেয়।
- প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা: ইউরেটর যখন মূত্রথলিতে প্রবেশ করে, সেখানে একটি বিশেষ ভাল্ভ বা কপাটিকার মতো ব্যবস্থা থাকে। এর ফলে একবার মূত্রথলিতে মূত্র প্রবেশ করলে তা পুনরায় উল্টো পথে কিডনিতে ফিরে যেতে পারে না।