এক্সোনেফ্রিক এর বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নরূপঃ
- উন্মুক্ত হওয়ার স্থান: এই ব্যবস্থায় নেফ্রিডিয়াগুলো শরীরের কোনো অভ্যন্তরীণ অঙ্গে (যেমন অন্ত্রে) উন্মুক্ত না হয়ে সরাসরি ত্বকের উপরিভাগে থাকা ক্ষুদ্র ছিদ্র বা নেফ্রিডিওপোরের (Nephridiopore) মাধ্যমে বাইরে উন্মুক্ত হয়।
- বর্জ্য নিষ্কাশন: বিপাকীয় বর্জ্য পদার্থগুলো তরল আকারে সরাসরি পরিবেশে ত্যাগ করা হয়।
- পানির অপচয়: এন্টারোনেফ্রিক ব্যবস্থার তুলনায় এতে পানির অপচয় কিছুটা বেশি হয়, কারণ বর্জ্য থেকে পানি পুনরায় শোষিত হওয়ার সুযোগ কম থাকে।